আজকাল মেয়েরা আশালীনতা পোশাক পড়ে ঘুরে বেড়ায়। এতে সমাজে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে । উঠতি বয়সের মেয়েরা যেভাবে পোশাক পরে, তাতে না পরারই সমতুল্য- শরীরের অধিকাংশ অনাবৃত থেকে যায়। এ দৃশ্য এখন সব জায়গাতে দেখা যায়।
তাই দেশে এখন যৌন অপরাধ বেড়ে গেছে, এর সঙ্গে ন্যাংটা পোশাকের কোথায় যেন সংযোগ আছে। পুলিশও ঐ অবস্থার সামাল দিতে পারছে না।
এই সব ছেলেমেয়েরা যে তীব্র যৌন উত্তেজক পোশাক-টোসাক পরে সে দায় কেবল ফ্যাশন-শিল্পের উপর বর্তায় না। ছেলেমেয়ের ব্যাপারে উদাসীন মা-বাবারাই এ জন্যে দায়ী, আর যে সব শিক্ষক শিক্ষার্থীকে যথার্থ শিক্ষা দেন না তারাও দায়ী।
সমস্যাকে যদি আমরা পরিাষ্কার বিশ্লেষন করে দেখি, তাহলে দেখবো যে এই সব ছেলেমেয়েরা উঠতি বয়সে পৌছুবার আগেই সমস্যা গোড়াপত্তন হয়েছে যখন ওদের শৈশবেই ওদেরকে ন্যাংটা সজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছিল।
``মা-বাবারা এই ছোট্ট শিশুদের নাচ-গান করতে মঞ্চে উঠিয়েছিল।’’
‘‘ওদের ভ্রান্ত বিশ্বাস ছিল, শিশুদের সৃজনশীল বিকাশের জন্য এবং আত্মবিশ্বাস সঞ্চার করার জন্য এটা প্রয়োজন। নাচের মুদ্রাঅভ্যাসে ঐ কচি বয়সেই ওদের অঙ্গভঙ্গীতে বিলোল কটাক্ষ ইত্যাদি ইন্দ্রিয় বিলাসিতার হাতে খড়ি দেওয়া হয়েছিল। শুধু নাচে গানে নয়, মঞ্চে উঠার আগে খটো পোশাক আসাক পরিয়ে ওদের প্রায় উলঙ্গ করে সাজানো হয়েছিল। মা-বাবারা ও অভিভাবকমন্ডলীসহ শিক্ষকবৃন্দ ওই কচি শিশুদের নাচ-গান করতে দেখে প্রশংসা তবড়ি ফুটিয়ে ছিল। তাঁদের কাছে এই নাচ-গানের অনুষ্ঠান বেশ সফল প্রয়োজনতুল্য। দুর্ভাগ্যের শুরু এখান থেকেই। কারন অনুষ্ঠান শেষ হয়ে গেলেও এর রেশ কিন্তু শেষ হয়ে যায়নি। নগ্নতার প্রদর্শক সাজসজ্জা, ইন্দ্রিয়বিলাসী নাচ-গান এবং প্রসাধনী এত উৎসাহ প্রশংসা ওরা পিয়েছিল, পরবর্তীকালে ওদের যখন বলা হলো পোশাক-আষাক ও সাজ সজ্জায় শালীনতা বজায় রেখো, তখন গুরুজনদের এ সব কথা শোনার গরজ ওরা আধৌ বোধ করিনি।
‘প্রায় অনাবৃত পোশাক-আসক্তি পরায় ওরা এতা স্বচ্ছন্দ হয়ে উঠেছে যে, লজ্জা-টজ্জা হাওয়া হয়ে গেছে।
‘‘এতো অল্প বয়সে ইন্দ্রিয় উত্তেজক কাজ কারবারে ওরা মেতে উঠেছে দোষ দেবো কাকে? মা-বাবা তথা অভিভাবকসহ শিক্ষকবৃন্দইতো এর জন্য দায়ী। কারন ওরাইতো সৃজনশীলতার নামে শিশুদের মঞ্চে উঠতে উৎসাহ যুগিয়েছিলেন। কাজে কাজেই এই সমস্যা সমস্যার নিরসন করতে চাইলে শিশুদের সদাচরন শিক্ষা দিতে হবে। কচি বয়সেই রুচিশীল সুন্দর ও মানানসই পোশাক পরতে দিতে হবে’’।
‘‘অতীতে মা-বাবারা ছেলেমেয়েদের শিশু বয়স থেকেই প্রায় পুরোটা ঢেকে ঢুকে কাপড় পরাতেন ওতে স্বাভাবিক ও পরিচ্ছন্ন রুচির পরিচয় পাওয়া যেতো। উঠতি বয়সে খাটো কাপড় করার উৎসাহ দেওয়া হলে বড়ো হলে ঢেকেঢুকে পরবার জাগবেনা।
ঠিক ঠাক পোশাক পরিধানে মেয়েদের উৎসাহিত না করলে , মেয়ে শিশুরাই যৌনতার শিকার হবে- শিশু বেশ্যালয়- এরও সৃষ্টি হতে পারে, যার পরিনাম সর্বনাশের পথ।
No comments:
Post a Comment